সঠিক সরকারি পরিসংখ্যান বা তথ্য-উপাত্ত না থাকায় অধিকাংশ সময় বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বিভ্রান্তিতে পড়তে হয়। দেশের বড় অর্থনীতিবিদরাই এ পরিসংখ্যান তৈরি করেছেন। কিন্তু এসব পরিসংখ্যান বিভ্রান্তি তৈরি করা ছাড়া আর কোনো কিছু করছে না। পরিসংখ্যান কবে ঠিক হবে, তা আমি জানি না। তবে এটা ঠিক হওয়া প্রয়োজন।
গত বছর দেশে আলুর উৎপাদন ছিল ১ কোটি ৬ লাখ টন। সেই আলুর দাম আবার প্রতি কেজি ৯০ টাকার ওপরে উঠেছিল। অর্থাৎ পরিসংখ্যান মিলছে না। তথ্য-উপাত্তের সঠিকতা না থাকায় সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধায় পড়তে হচ্ছে। এটা সংস্কার করা দরকার। আমাদের ১৭টি নিত্যপণ্য রয়েছে। আর নিত্যপণ্যের জন্য আলাদা মূল্যস্ফীতির সূচক থাকা উচিত। যাতে বাজার নজরদারি করা সহজ হয়।
বিগত সরকারের সময়ে বিভিন্ন ধরনের দুর্বৃত্তায়ন হয়েছে। এসব রোধে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোয় সক্ষমতা বাড়াতে চাই। আমরা দেখেছি ডিমের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়ানো হয়েছিল। আগের সরকার ব্যয়ের মহোৎসব করেছে। বিভিন্ন খাত সৃষ্টি করে ব্যয়কে কৃতিত্ব মনে করা হয়েছে।
আমরা রমজানের অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা করে দেখলাম, তখন আমরা বিভিন্ন ধরনের কাজ করেছি, যা আগামীতেও করতে চাই। তবে কর অব্যাহতি হয়তো আমরা জারি রাখতে পারব না। টিসিবি ও ওএমএস নিয়ে কাজ করেছি। এগুলো আবারো করতে চাই। খাদ্যনিরাপত্তার জন্য খাদ্যনীতি তৈরি করা প্রয়োজন। সেটা মানুষ কিংবা পশুখাদ্য হোক। আমরা খাদ্য মজুদের জন্য সাইলো বা সংরক্ষণাগার তৈরি করতে চাই। তবে এটা দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া।
শেখ বশিরউদ্দীন: উপদেষ্টা, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট এবং বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়